Posts

নেপালের বিপর্যস্ত এলাকায় ত্রাণ ও সেবাকার্য শুরু করল ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ

Image
প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে বিপর্যস্ত নেপালের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে ত্রাণ ও সেবাকার্যে নামল ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ।  সাম্প্রতিক বন্যা ও ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে নেপালের একাধিক এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বহু মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছেন। এই পরিস্থিতিতে দুর্গত মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে উদ্যোগী হয়েছে সঙ্ঘ। সঙ্ঘের পক্ষ থেকে নেপালের লামা সুঁটি, নুয়াকোট জেলার বেলকোটগাধি পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড-সহ বিপর্যস্ত এলাকায় ত্রাণ ও সেবাকার্য পরিচালনা করা হচ্ছে।  দুর্গত মানুষের হাতে প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক সহায়তা করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে নেপালের একাধিক জেলা বর্তমানে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। ত্রিশূলী ও ভোতে কোশি নদীর প্রবল স্রোতের কারণে ধাদিং জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।  নুয়াকোটেও বন্যার জেরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির খবর সামনে এসেছে। গোরখা ও তানাহুন জেলাতেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং বহু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছ...

মায়াপুরের গৌর-নিতাই মন্দিরে পালিত হল জন্মাষ্টমী ও নন্দ উৎসব

Image
মায়াপুরের গৌর নিতাই মন্দিরে পালিত হল জন্মাষ্টমী ও নন্দ উৎসব।  জন্মাষ্টমীর পরের দিনই পালিত হয় নন্দ উৎসব। শ্রীকৃষ্ণের জন্মের পর গোকুলবাসীর আনন্দ-উচ্ছ্বাসকে স্মরণ করেই এই উৎসবের আয়োজন করা হয়। সেই ঐতিহ্য মেনেই নদিয়ার মায়াপুরে নবনির্মিত শ্রীশ্রী গৌর-নিতাই মন্দিরে ভক্তি ও উৎসাহের সঙ্গে পালিত হল জন্মাষ্টমী ও নন্দ উৎসব। গৌড়ীয় বৈষ্ণব অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা আচার্য শ্রীল ভক্তি স্বরূপ তীর্থ মহারাজের উদ্যোগে নির্মিত এই মন্দিরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত অসংখ্য শিষ্য, ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ী অংশ নেন।  শুক্রবার রাতে জন্মাষ্টমীর পুজো এবং শনিবার সকাল থেকেই নন্দ উৎসব উপলক্ষে  মন্দির প্রাঙ্গণে ছিল উৎসবের আবহ। ভক্তদের হরিনাম সংকীর্তন ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে মুখর হয়ে ওঠে গোটা মন্দির চত্বর। নন্দ উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত হয় গুরুপূজা, বিশেষ আরতি, শাস্ত্রপাঠ এবং হরিনাম সংকীর্তন। ভক্তরা গীতাপাঠ ও নামসংকীর্তনে অংশ নিয়ে শ্রীকৃষ্ণের লীলাস্মরণ করেন। পাশাপাশি ভক্ত ও আগত দর্শনার্থীদের জন্য প্রসাদ বিতরণ ও ভোজনেরও আয়োজন করা হয় ...

মন্মথপুর প্রণব মন্দিরে জন্মাষ্টমী ও নন্দোৎসব, ১৩১ শিশুকৃষ্ণ ও ১৩১ যশোদার বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

Image
শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী ও নন্দোৎসব উপলক্ষে উৎসবের আবহে মেতে উঠল মন্মথপুর প্রণব মন্দির চত্বর।  বিশ্ববন্দিত ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা আচার্য শ্রীমৎ স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজের গৌরবময় ১৩১তম শুভ আবির্ভাব বর্ষ উপলক্ষে এবার আয়োজন করা হয় এক অভিনব ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক শোভাযাত্রার। এই শোভাযাত্রায় ১৩১ জন শিশুকে শ্রীকৃষ্ণের সাজে এবং ১৩১ জন মাকে মা যশোদার সাজে সুসজ্জিত করা হয়।  স্বামী প্রণবানন্দ মাতৃ সুরক্ষা মঞ্চ থেকে শুরু হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। প্রায় চার কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে শোভাযাত্রাটি এসে পৌঁছয় মন্মথপুর প্রণব মন্দিরে। শোভাযাত্রায় ছিল হরিনাম সংকীর্তন। পাশাপাশি শ্রীকৃষ্ণের শৈশবের বিভিন্ন লীলাকে তুলে ধরা হয় নানা সাজসজ্জা ও উপস্থাপনার মাধ্যমে। মন্মথপুর প্রণবানন্দ বিদ্যামন্দিরের ছাত্রছাত্রীদের পাশাপাশি প্রায় দুই শতাধিক খুদে পড়ুয়া কৃষ্ণের সাজে অংশ নেয় এই অনুষ্ঠানে।  খুদেদের এমন অভিনব উপস্থাপনা ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দা ও ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। শোভাযাত্রার রাস্তার দু'ধারে ভিড় জমে ...

শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী মহোৎসব ঘিরে সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠান ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘে

Image
 শ্রীশ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী নানা ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ।  সঙ্ঘের বালিগঞ্জের প্রধান কার্যালয়ে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সকাল থেকেই বিশেষ পুজো, মঙ্গল আরতি ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।  ভক্ত ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে এদিন সঙ্ঘের প্রাঙ্গণে উৎসবের আবহ তৈরি হয়। সঙ্ঘের উদ্যোগে আয়োজিত এই মহোৎসবের মূল ভাবনা “মহাজাগরণ, মহামিলন” এবং “মহাসমন্বয়, মহামুক্তি”। জন্মাষ্টমীকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় ভাবধারার পাশাপাশি হিন্দু ধর্ম, শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রসারের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের প্রধান সম্পাদক স্বামী বিশ্বাত্মানন্দ মহারাজ বলেন, “ধর্মীয় ভাবধারার পাশাপাশি হিন্দু ধর্ম-শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রসার এবং সমাজের সর্বাঙ্গীণ কল্যাণে শ্রীকৃষ্ণের বাণী মানুষের কাছে তুলে ধরাই এই অনুষ্ঠানের অন্যতম উদ্দেশ্য।” সপ্তাহব্যাপী এই কর্মসূচিতে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা প্রতিযোগিতা, সংস্কৃত স্তোত্র ও শ্লোক প্রতিযোগিতা, বৈদিক শান্তি যজ্ঞ, ভক্তিগীতি, গীতা পাঠ, ...

নেপাল-উত্তরাখণ্ডের মতো দুর্যোগে ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে বড় ভরসা হতে পারে ড্রোন, আইইএমের ‘অ্যাভিওনিক্স ২০২৬’-এ উঠে এল প্রযুক্তির নতুন সম্ভাবনা

Image
কলকাতা, ২৯ আগস্ট: পাহাড়ি এলাকায় হড়পা বান, ভূমিধস, ভূমিকম্প বা আকস্মিক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর দুর্গম এলাকায় দ্রুত পৌঁছনোই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। রাস্তা ও সেতু বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় বিপর্যস্ত মানুষের কাছে দ্রুত খাবার, ওষুধ ও জরুরি সামগ্রী পৌঁছে দেওয়াও কঠিন হয়। এই পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতে ড্রোন প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করছেন প্রযুক্তিবিদরা। কলকাতার ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্টে (আইইএম) অনুষ্ঠিত ‘অ্যাভিওনিক্স ২০২৬’ ড্রোন প্রতিযোগিতাকে ঘিরে সেই সম্ভাবনাই নতুন করে সামনে এসেছে। ২৮ ও ২৯ আগস্ট আইইএম ম্যানেজমেন্ট বিল্ডিংয়ে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় পড়ুয়ারা ড্রোনের নকশা, ফ্লাইট কন্ট্রোল, নির্ভুলতা, পাইলটিং এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ পাচ্ছেন। বক্তারা জানান, নেপাল বা উত্তরাখণ্ডের মতো পাহাড়ি অঞ্চলে দুর্যোগের সময় ড্রোনের মাধ্যমে দ্রুত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব। আকাশ থেকে ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে কোথায় ধস নেমেছে, কোন এলাকায় মানুষ আটকে রয়েছেন কিংবা কোথায় ত্রাণ পৌঁছনো জরুরি, তা দ্রুত চি...